Reading Time: 3 minutes

বিশ্বজুড়ে চলছে করোনাভাইরাস মহামারী। প্রতিনিয়তই আমরা লড়াই করছি এক অদৃশ্য শক্তির সাথে। এই সময়টিতে আতঙ্কিত না হয়ে হতে হবে সচেতন। ২০২০ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ সর্বপ্রথম দেখা যায়। দেশে সেসময় সাধারণ ছুটির পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় দেয়া হয় লকডাউন। লোকে হয়ে পড়ে ঘরমুখী। কিন্তু জীবনের প্রয়োজনে একসময় এ লকডাউন শিথীল হয়। ঘরবন্দী মানুষ আবারো বেড়িয়ে পড়ে ঘর থেকে। তবে, করোনাভাইরাসের মাত্রা সাময়িকভাবে কমলেও তা আবারো তীব্রতর হয়ে উঠেছে। ফলে, সরকারী ঘোষণা অনুযায়ী আবারো দেয়া হয়েছে দেশ জুড়ে লকডাউন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনাভাইরাস একটি নিউ নরমাল অবস্থা। যাকে একটি মৌসুমী অসুখ হিসেবেও চিহ্ণিত করা হয়েছে। ফলে করোনাভাইরাসের প্রকোপ থেকে বাঁচতে আমাদের করণীয় কিছু বিষয় জানতে হবে।

কেন হয় করোনাভাইরাস:

২০১৯ এর শেষ থেকে এবং ২০২০ এর শুরু থেকে চীনের উহান শহরে যখন প্রাণঘাতী এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লো, আজ অবধি এই ভাইরাস কেন হয় তা সঠিকভাবে জানা যায়নি। তবে করোনাভাইরাস ছড়ায় হাঁচি-কাশি, স্পর্শ এসবের ,মাধ্যমে।

রোগের লক্ষণ কী:

করোনাভাইরাসের লক্ষণগুলোর মধ্যে জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান। বলা হয় এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে। অন্যদিকে শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই শুরু হয় উপসর্গ, পরে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়। এতে করে স্বাদ-গন্ধ না পাবার লক্ষণ-ও রয়েছে। তবে নতুন ধরণের করোনাভাইরাসে এসব উপসর্গ নাও থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। আক্রান্ত হবার পর সাধারণত রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে গড়ে পাঁচ দিন সময় নেয়। ফলে, একজন রোগী থেকে অন্য একজন রোগীর আক্রান্ত হবার ঝুঁকি থাকে মারাত্বক।

 

পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি:

নিজের সাথে সাথে চারপাশের মানুষকে সচেতন করা এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশী জরুরী। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) নির্দেশনাগুলো নিজে বোঝা ও অন্যকে বোঝানো। জরুরী প্রয়োজনে যদি অফিস করতে হয় তবে সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা গুলো বোঝান। সেই সাথে মাস্ক, গ্লাভস, ফেস সিল্ড পরতে ভুলবেন না। বারবার সাবান ও গরম পানি দিয়ে হাত ধুবেন। সেটা সম্ভব না হলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন

করোনাভাইরাসের প্রকোপ থেকে বাঁচতে যতোটা সম্ভব ঘরে থাকুন। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না। আপনার নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো যথাসম্ভব অনলাইন থেকে কেনাকাটা করুন। আপনার নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো পৌঁছে দিতে তৈরী আছে মীনাক্লিকের ভেলিভারী সুপার হিরোরা। সরাসরি অর্ডার করতে পারেন ওয়েবসাইট থেকে বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে। মোবাইল অ্যাপ দিয়ে অর্ডার করলে আছে ১০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়

ঘুমাতে হবে পর্যাপ্ত

যেকোন রোগে ঘুম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপশম। এ গবেষণায় দেখা বলা হয়েছে,  পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম ও ঘুমিয়ে যাদের অভ্যাস, তারা তুলনামূলক দ্রুত আরোগ্য লাভ করেছে।

খাবার এবং ব্যায়াম:

আমরা সবাই জানি শরীরের সুস্থতা বজায় রাখাতে পুষ্টিকর খাবার এবং ব্যায়ামের নেই কোন বিকল্প। নিয়মিত ব্যায়াম হার্টকে দেয় সুস্থতা ও বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। এছাড়াও উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমাতেও খাদ্য ও ব্যায়াম ভূমিকা রাখে। এ সময় কাজের ফাঁকে ফাঁকে হালকা স্ট্রেচিং বা ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করুন। এ সময়ের খাদ্য তালিকায় রাখুন বিভিন্নরকম শাকসবজি, ফলমূল, আঁশযুক্ত খাবার, লিন প্রোটিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার। এছাড়া বিস্তারিত জানতে পড়ুন আমাদের নিচের ব্লগটি

 

করোনাভাইরাসকালীন সময়ে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সচেতনতা। নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও করুন। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন। অদৃশ্য এই শক্তির সাথে মোকাবেলায় আপনার আমাদের ছোট ছোট সচেতনতাই আনতে পারে বড় সাফল্য। কোয়ারেন্টাইনের দিনগুলোতে আপনার পাশে সবসময় ছিলো মীনাক্লিক। করোনাভাইরাসে নিজেকে ও পরিবানকে সুস্থ রাখতে ঘরে থাকুন আর বাজার করুন মীনাক্লিক এ। মানসিক অবসাদ ও বিরক্তি কাটাতে পড়ুন মীনাক্লিকের ব্লগগুলো